সকালের শহরটা তখনও পুরোপুরি জেগে ওঠেনি। তবুও আরিফের চোখে ঘুম নেই অনেকদিন। কাজ, চাপ, দৌড়ঝাঁপ—সব মিলিয়ে জীবনটা যেন ক্লান্ত হয়ে গেছে। একদিন হঠাৎ সে সিদ্ধান্ত নিল— সে একটু দূরে যাবে… শহরের কোলাহল থেকে, মানুষের ভিড় থেকে, নিজের ভেতরের ক্লান্তি থেকে। --- একটা ছোট ব্যাগে কিছু কাপড় আর একটা ডায়েরি নিয়ে সে বেরিয়ে পড়ল। গন্তব্য—একটা গ্রাম, যেখানে শুধু প্রকৃতি আর শান্তি। --- বাস শহর ছেড়ে যখন গ্রামের দিকে এগোচ্ছিল, তখন জানালার বাইরে দৃশ্য বদলাতে শুরু করল। উঁচু দালান বদলে গেল সবুজ গাছে, ধোঁয়ার বদলে এলো নির্মল বাতাস। আরিফ প্রথমবার গভীরভাবে নিঃশ্বাস নিল। মনে হলো—এটাই আসল জীবন। --- গ্রামে পৌঁছে সে একটা ছোট নদীর ধারে বসে রইল। পানির শব্দ, পাখির ডাক, বাতাসের ছোঁয়া—সবকিছু যেন তাকে নতুন করে ছুঁয়ে দিল। সে চোখ বন্ধ করল। অনেকদিন পর তার মনটা শান্ত হলো। --- সন্ধ্যায় সে গ্রামের এক বৃদ্ধের সাথে দেখা করল। বৃদ্ধ মানুষটি হেসে বললেন, “বাবা, শহরের মানুষরা প্রকৃতিকে ভুলে গেছে।” আরিফ কিছু বলল না। কিন্তু কথাটা তার মনে গেঁথে গেল। --- রাতে আকাশে অসংখ্য তারা জ্বলছিল। শহরে এত তারা সে কখনো দেখেনি। সে মনে মনে ভাবল...
Comments
Post a Comment